থানকুনি পাতার গুণাগুণঃ থানকুনি পাতা খেলে ১২টি শারীরিক উপকার হয় । কেন এবং কিভাবে খাওয়া হয় বিস্তারিত।

সেই খৃষ্টপূর্ব ১৭০০ থেকে আমাদের দেশ সহ আরও বহুদেশে যেমনঃ আফ্রিকা, জাবা, সুমাত্রা, ফ্রান্স, স্রিলংকা, এবং ফিলিপিনসের বাসিন্দারা থানকুনি পাতার শাক খেয় আসছেন। মায়েদের সরীয়সিস সহ আরও বহুবিদ রোগ বালাই থেকে বেচে থাকার জন্য ইহার বিকল্প নেই। এছাড়ার মেদ কমাতে ও ত্বকের সেীেন্দর্য বৃদ্বিতে ইহা অত্যন্ত ভাল কাজ করে থাকে।

অবাক হওয়ার মত ঘটনা হল, ওয়ার্ডলাইন ফটোগ্রাফাররা লক্ষ্য করে দেখেছেন যে, পাখিরা একটু আঘাত পেলেই খুজে খুজে থানকুনি পাতার অবস্থানে গিয়ে ঘা ঘসতে শুরু করে। কারণ কি জানেন, শরীরের আঘাত সারাতে এই পাতা অতন্ত কার্যকরী ভুমিকা রাখে। এখানেই শেষ নয়। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত থানকুনি পাতা খেলে বহু ধরনের উপকার পাওয়া যায়। নিম্নে থানকুনি পাতার ১২ অসাধারণ ব্যবহার ও গুণাগুনের বর্ণনা করা হইলঃ

(১) ব্রেইন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়ঃ বেশ কিছু গবেষণায় দেখাগেছে নিয়মিতি থানকুনি পাতা খেলে মস্তিস্কে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তেরে সরবরাহ বেড়ে যায়। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই ব্রেইনের পাওয়ার বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে বাড়ে মনোযোগ ক্ষমতা এবং স্মৃতি শক্তিও। আরও অনেক রোগের প্রাকৃতিক চিকিৎসায় ইহা যতেষ্ট কাজে লাগে।

(২)কাশি কমায়ঃ দুই চামচ থানকুনি পাতার রসের সাথে অল্প করে চিনি মিশিয়ে খেলে সঙ্গে সঙ্গে কাশি থেমে যায়। আর যদি তা এক সপ্তাহ খান তাহলে কাশির কোন চিহ্নই থাকবে না।

(৩)ত্বকের সৌর্ন্দয বৃদ্ধি করেঃ থানকুনি পাতার এমাইনো এসিড ভিটা কেরোটিন, ফয়টো এসিড, এবং ফাইটো ক্যামিকেল ত্বকের ভিতরের পূষ্টির ঘাটতি কমানোর পাশাপাশি বলিরেখা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি পায়।

(৪)গ্যাসটিক সমস্যা কমায়ঃ এক্ষেত্রে একটি ঘরোয়া চিকিৎসা খুবই ভাল কাজ কেরে। হাফ লিটার দুধে ২৫০ গ্রাম মিশ্রি ও কিছু থানকুনি পাতার রস দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈয়ার করুন। এখন এই মিশ্রণ থেকে প্রতিদিন সকালে অল্প অল্প করে প্রতিদিন সকালে খাওয়া শুরু করুন। এইভাবে এক সপ্তাহ খেলেই দেখবেন ভাল উপকার পাবেন।

1 of 2

error: Content is protected !!